গুরুত্বপূর্ণ বই সমূহ

গুরুত্বপূর্ণ বই সমূহ
সহায়ক বই সমূহ:-
০১. নসীহত ও অসিয়্যত
সংকলনে। মুহম্মাদ রফীকুল্লাহ নেছারাবাদী। প্রকাশকঃ নেছারাবাদ হিযবুল্লাহ দারুত্তাছনীফ, ২৬২, হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর সড়ক, নেছারাবাদ, ঝালকাঠি-৮৪০০। প্রকাশকালঃ ১ম প্রকাশ। সেপ্টেম্বর-২০০৬, ৭ম মুদ্রণ। ফেব্রুয়ারি-২০১৯।
০২. তরীকুল ইসলাম (১ম খন্ড)
সংকলনে। মাহবুবে ডুবহানী, কুতুবে রব্বানী, মুহিয়ে সুন্নত, দাফেয়ে বেদআত, রাহবরে মিল্লাত, মুজাদ্দেদে যামান, আমীরে শরীয়ত ও তরীকত, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ ছাহেব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি), প্রকাশক। ছারছীনা মুসলিম টোয়, পোস্টঃ দারুচ্ছুন্নাত, উপজেলা। নেছারাবাদ, জেলাঃ পিরোজপুর। প্রকাশকালঃ ১ম প্রকাশ। অক্টোবর। ২০০০ ইং, ৬ষ্ঠ প্রকাশ: আগস্ট-২০১৬ইং।
০৩. তরীকুল ইসলাম (২য় খণ্ড)
সংকলনে: মাহবুবে ডুবহানী, কুতুবে রব্বানী, মুহিয়ে সুন্নত, দাফেয়ে বেদআত, রাহবরে মিল্লাত, মুজাদ্দেদে যামান, আমীরে শরীয়ত ও তরীকত, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ ছাহেব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি), প্রকাশকঃ ছারছীনা মাদরাসা মুসলিম স্টোর, স্টোর, পোস্টঃ দারুচ্ছুন্নাত, উপজেলা নেছারাবাদ, জেলাঃ পিরোজপুর। প্রকাশকালঃ ১৩তম
সংস্করণ মে-২০১১ইং, ১৬তম সংস্করণ। আগস্ট-২০১৬ইং।
০৪. ১১৩ মাসয়ালায় বিভ্রান্তির সমাধান (১ম খণ্ড)
লেখকঃ ড. মুফতী মাওলানা মুহম্মদ কাফীলুদ্দীন সরকার সালেহী, প্রকাশক। আলহাজ্ব জাকিয়া খানম, প্রকাশকাল। ২য় প্রকাশ। রবিউস সানী-১৪৩৮ হিজরী, পৌষ-১৪২৩ বঙ্গাব্দ, জানুয়ারী-২০১৭ ঈসায়ী, মুদ্রণে: সাইন এন্ড ইমেজেস, ৫৫/এ পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
০৫. ১১৩ মাসয়ালায় বিভ্রান্তির সমাধান (২য় খণ্ড)
মুফতী মাওলানা মুহম্মদ কাফীলুদ্দীন সরকার সালেহী, প্রকাশক: আলহাজ্ব জাকিয়া খানম, প্রকাশকালঃ ২য়। রবিউস সানী-১৪৩৮ হিজরী, পৌষ-১৪২৩ বঙ্গাব্দ, জানুয়ারী-২০১৭ ঈসায়ী, মুদ্রণে। সাইন এন্ড ইমেজেস, ৫৫/এ পুরানা প্রকাশ। পল্টন, ঢাকা-১০০০।
০৬. তাম্বীহুল গাফেলীন
লেখক: ফকীহ আবুল লাইস সামারকান্দী (রহ.), বাংলা তরজমাঃ মুহম্মদ যাইনুল আবিদীন, মুহাদ্দিছ, দারুল উলুম রামপুরা বনশ্রী, ঢাকা। সম্পাদনা: মাওলানা মুহম্মদ হেমায়েত উদ্দীন, মুহাদ্দিস, জামিআ ইসলামিয়া আরাবিয়া তাঁতীবাজার (ইসলামপুর), ঢাকা-১১০০। প্রকাশিকাঃ মোছাম্মাৎ সামছুন নাহার, প্রকাশকালঃ ১ম প্রকাশ। জুলাই, ২০০৪ ইং, অষ্টম প্রকাশ্য এপ্রিল, ২০১৫ ইং, কোহিনুর লাইব্রেরী-৫০ বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।
কুরআন সুন্নাহর আলোকে নামায
নামায ইসলামের দ্বিতীয় রোকন। কলেমার পরে নামাযের স্থান। নামায কায়েম করার জন্য
কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফে বিশেষ তাকীদের সাথে বার-বার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আধ্যাত তায়ালা এরশাদ ফরমান।
تَكُونُوا مِنَ الْمُشْرِكين الشارة الروم ٣٠) اقيمُوا الصَّلوةَ وَلَا
অর্থাৎ-'তোমরা নামায কায়েম কর এবং তোমরা মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।'লে রসূলে কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম এরশাদ করেছেন।
الصلوة عماد الدين من أَقَامَها فَقَد أقام الذين وَ مَن تَرَكَهَا فَقَدْ هَذَم الدين مسند احد الرملي
অর্থাৎ-ইসলাম একখানা ঘরস্বরূপ এবং নামায তার স্তম্ভস্বরূপ। যে নামায কায়েম করল, সে যেন দ্বীন ইসলামকে কায়েম করল: আর যে নামায তরক করল, সে যেন ইসলাম-গৃহকে ভেঙ্গে ফেলল।'
যেহেতু নামাযের মাধ্যমে আমাদেরকে দৈনিক পাঁচবার করে ইসলামী জিন্দেগীর তা'লীম দেয়া হয়েছে, এজন্যই ইসলামে নামাযের প্রতি এতখানি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এখন নামাযের মাধ্যমে কিভাবে আমাদেরকে ইসলামী জিন্দেগীর তা'লীম দেয়া হয়েছে তৎসম্বন্ধে সামান্য কিছু
আলোচনা করা হচ্ছে।
নামাযে আমরা কী করিঃ-
১. মুয়াযযিন আযান দিয়ে নামাযের দিকে সকলকে আহ্বান করেন এবং প্রত্যেক মুসলমান তার
অধীনস্থ ও অনুবর্তীগণকে নামাযের জন্য আদেশ প্রদান করেন। কেননা আল্লাহ তায়ালা এরশাদ
করেছেন ) وَأَمْرُ أَهْلَكَ بالصلوة، ليرة অর্থাৎ 'তোমরা তোমাদের অধীনস্থ ও অনুবর্তীগণকে নামাযের
জন্য আদেশ দাও। (সূরা ত্বহা ১০২) নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম ফরমান।
مرُوا صِبْيَالَكُم بِالصَّلوةِ إِذَا بَلَغُوا سَبْعًا وَاضْرِبُوهُمْ إِذَا بَلَغُوا عَشْرًا و احمد النا داؤد ) অর্থাৎ-তোমাদের সন্তানদেরকে সাত বছরে পৌঁছলেই নামায পড়তে আদেশ কর এবং দশ বছরে উপনীত হলে দরকার মতে নামাষের জন্য প্রহার কর।' (আহমদ, আবু দাউদ)
একটু চিন্তা করুন, এ ব্যবস্থার দ্বারা কি আমাদেরকে তা'লীমে দ্বীন ও তাবলীগে দ্বীনের সবক দেয়া হয়নি?
২. নামাযে দাঁড়িয়ে অর্থ; যা পাঠ করতে হয়। এতে বলা হয় যে, আমি সকল দিক হতে আমার
মুখ ফিরিয়ে আনলাম এবং একমাত্র আল্লাহ তায়ালার দিকেই আমি রুজু হলাম। নামাযের নিয়ত বাঁধতে আমাদের মনে করতে হয় যে, আমি একমাত্র আল্লাহ তায়ালার রেযামন্দি হাসিলের নিয়তে নামায। পড়ছি।
নামাযের এ ব্যবস্থার দ্বারা আমাদেরকে তা'লীম দেয়া হয়েছে যে, আমাদের জিন্দেগীর প্রত্যেকটি কাজ হবে আল্লাহকে কেন্দ্র করে এবং প্রত্যেকটি কাজের উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ তায়ালার রেযামন্দি হাসিল করা।
কোন মন্তব্য নেই